পদ্মজা উপন্যাসটি লিখেছেন ইলমা বেহরোজ।ইলমা বেহরোজ, যাকে আমরা সাধারণত ইলমা নামেই জানি, ২০০৩ সালের ১৮ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন। তার লেখার ধরন খুবই সহজ এবং সাবলীল।
তিনি কঠিন বিষয় গুলো খুব সুন্দরভাবে বর্ণনা করেছেন, যাতে সেগুলো সহজে পাঠকের বুঝতে সুবিধা হয়। পদ্মজা উপন্যাসের বর্ণনা চিত্রের মতো স্পষ্ট এবং আকর্ষণীয়, যা পাঠককে মুগ্ধ করে। এটি এমন একটি বই, যা আপনাদের মনে দীর্ঘদিনের জন্য প্রভাব ফেলবে।
নারীর অধিকার, সমাজের বাস্তবতা, এবং জীবনের চিত্রণ সম্পর্কে এটি একটি অমূল্য বই।উপন্যাসের চরিত্র গুলো খুবই জীবন্ত এবং বাস্তব। পদ্মজা চরিত্রের চিত্রায়ণ অসাধারণ, যেখানে একজন নারীর সাহস, শক্তি এবং আত্মবিশ্বাসের পুরোপুরি প্রতিচ্ছবি তুলে ধরা হয়েছে।

এই চরিত্রটি পাঠকদের অনুপ্রাণিত করে এবং অন্যান্য চরিত্র গুলো ও তাদের নিজ নিজ বৈশিষ্ট্য ও সমস্যা নিয়ে সমৃদ্ধ।পদ্মজা উপন্যাসের মূল চরিত্র এক তরুণী, যিনি সমাজের কঠোর নিয়মকানুনের বিরুদ্ধে লড়াই করে নিজের স্বপ্ন পূর্ণ করতে চান। তার জীবনে অনেক পুরুষ আসে, কিন্তু কেউই তার মন ও চেতনাকে ছুঁতে পারে না।

বিশেষ দিক
পদ্মজা উপন্যাস কোথায় পাবেন?
যদি আপনি এমন একটি উপন্যাস খুঁজে থাকেন যা চিন্তা-উদ্দীপক এবং মনোমুগ্ধকর, তাহলে পদ্মজা উপন্যাসটি আপনার জন্য। আজকের ব্লগে আমরা পদ্মজা উপন্যাসের কিছু সেরা উক্তি শেয়ার করব, আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।
পদ্মজা উপন্যাসের কিছু অদ্ভুত লাইন যেগুলো বারবার মুগ্ধ করে তা নিচে দেওয়া হলো।
**********
তোমার জন্য বুকটা পুড়ে যাচ্ছে! তোমায় ছোঁয়ার সাধ্যি,দেখার সাধ্যি কেনো নেই আমার?
**********
পদ্মাবতী আমার রানী!
আমি কাঁটা বিছানো বাগানে শুয়ে থাকি, আর তুমি আমার বুকে হেটে বেড়াও।
**********
থাক না দু একটা কলঙ্ক।
**********
পদ্মাবতী,আমার ইচ্ছে তোমার হাতে খুন হয়ে যায়!
**********
পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরী নারী আমার বউ, কি সৌভাগ্য আমার!
**********
সারা অঙ্গ কলঙ্কে ঝলসে যাক,
তুই বন্ধু শুধু আমারই থাক।
**********
তুমি চাও বা না চাও,পরপারে দেখা হলে আমি
আবার তোমার পিছু নেব।💖😘
**********
আমার পাপের রাজত্বে তোমার আগমন ছিলো
ভূমিকম্পের মতো। যখনই দেখি তুমি দাঁরিয়ে আছো,
আমার হৃদপিন্ড থমকে যায়।💘💔
**********
আমি নিষ্ঠুর, তুমি মায়াবতী। আমি ধ্বংস, তুমি সৃষ্টি।
আমি পাপ,তুমি পবিত্র। এত অমিলে কেনো হলো মিলন,
কেনো কালো অন্তরে ছড়িয়ে ছিলে ফুলের
সুবাস? আমাকে ধ্বংস করার জন্য কি অস্ত্র ছিল না!💘
**********
তোমাকে দেখার তৃষ্ঞা আমার কখনোই মিটবে না
পদ্মাবতী💓
**********
গত চার দিনের একাংশ যন্ত্রনা যদি তুমি অনুভব করতে, তাহলে আমাকে না মেরে বাঁচিয়ে রাখতে..! আমার শাস্তি হতো বেঁচে থাকা..!
**********
বিচ্ছেদের বিষাক্ত ছোবলে নীল হয়ে যাচ্ছি আমি আমাকে বাঁচাও
**********
পদ্ম যার ঠোঁটে আঁকা হাসি এই হাসির জন্য দুনিয়ায় এফোঁড়- ওফোঁড় করতে রাজি
**********
শেষবার ছুঁয়েছি আর ছোঁবনা,শপথ করছি আর ছোঁবনা।
**********
তোমার এই চোখের অবিশ্বাস্য চাহনি আমাকে ছিন্ন ভিন্ন করে ফেলে,আমার কথা হারিয়ে যায়, আমি স্তব্ধ হয়ে যাই।
**********
মাশাল্লাহ দিনের বেলা চাঁদ উঠে গেছে।
**********
পদ্মাবতীর প্রতিটা নিঃশ্বাস থেকে যেন ফুল ঝরে।
**********
পদ্মজা: আমাকে আপনার পাপের জীবনের সাথে জড়ালেন কেন…?
আমির হাওলাদার: আমার পাপের চেহারা চাদর দিয়ে
ঢেকে রেখেছিলাম তোমাকে ভালোটাই দেখিয়েছিলাম
তুমি চাদর তুলতে গেলে কেন..!
**********
যদি পারতাম আকাশের মেঘ হয়ে তোমার কাজল কালো আঁখি ছুঁয়ে সবটুকু বিষাদ ধুয়ে মুছে সাফ করে দিতাম।
**********
তোমার চোখের খাদে পড়ে থাকতে চেয়েছিলাম আজীবন তাও হলো না।
**********
তুমি সত্যিই একটা পদ্মফুল পদ্মাবতী!
**********
সবাইকে বলে দিও আমার কবরটা যেন আমার স্বামীর ঠিক বা’পাশে হয়, তাকে আমি ভালোবাসি!!
**********
কবুল,কবুল,কবুল। আমি কবুল করছি পূর্ণা। তুমিও কও। সবাই হুনছে আমি কইছি। সবাই হুনছেন না? এহন তুমি কও। পূর্ণা আমারে এত বড় শাস্তি দিও না পূর্ণা। আমারেও সাথে নিয়ে যাও।
আমারেও সবাই কবর দেন। পূর্ণার লগে কবর দেন। দিবেন আপনারা?
আমি কবুল কইছি না?অর্ধেক বিয়া তো হইয়া গেছে, হইছে না?
“এই কালি? কালি কইছি তো। গুস্সা করো..গুস্সা করো আমার সাথে।গালি দেও আমারে। ও পূর্ণা…ও ভ্রমর। চাইয়া দেহো একবার। আসমানের পরি তুমি… সবচেয়ে সুন্দর মুখ তোমার। হাসো পূর্ণা।হাসো।
#মৃদুল😢
শেষকথা
প্রিয় পাঠক, আজকের আর্টিকেলে দেওয়া পদ্মজা উপন্যাসের সেরা কিছু উক্তি গুলো আপনার কেমন লেগেছে ? আপনি কি পদ্মজা উপন্যাস টি পড়েছেন? পদ্মজা উপন্যাসটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে? উত্তরটা অবশ্যই কমেন্ট বক্সে জানাবেন। পোষ্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন, অন্যকে দেখার সুযোগ করে দিন।
——Disclaimer——
আইটি বিতান এ যে পিডিএফ ইবুক প্রকাশ করা হয়েছে সেটার স্বত্বাধিকারী আইটি বিতান নয়। বইটি অনলাইন বিভিন্ন উৎস থেকে সংগ্রহ করে পাঠকদের মাঝে এডুকেশন Purpose শেয়ার করা হয়েছে। আমরা নিজেরা কোন ইবুক তৈরি করিনা কিংবা পাঠকদের ইবুক পাঠে উৎসাহ ও প্রদান করছিনা।
পিডিএফ কখনো হার্ডকপির বিকল্প হতে পারেনা এবং দীর্ঘক্ষণ পড়ার জন্য পিডিএফ বই উপযোগী ও নয়। তাই আমরা সবসময় পাঠকদেরকে অনুরোধ করি হার্ডকপি কিনে পড়ার জন্য। এতে লেখক এবং প্রকাশকরা আরও বেশি অনুপ্রাণিত হবে এবং আমরা ও নতুন নতুন লেখা পাবো।
আইটি বিতান এ প্রকাশিত কোন পিডিএফ বই নিয়ে যদি কোনো প্রকার আপত্তি থাকে, অনুগ্রহ পূর্বক আমাদের কন্টাক্ট পেইজে যোগাযোগ করুন। আইটি বিতান লেখক/প্রকাশের কখনো কোনো ক্ষতি চাই না। খুব শীঘ্রই আইটি বিতান আপনার দাবীটি নিস্পত্তি করবে।
প্রসঙ্গত, এখানে প্রদত্ত তথ্য সম্পূর্ণ সঠিক দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে, তবে এটি ১০০% নির্ভুল বা সর্বদা আপডেটেড নাও হতে পারে। ধন্যবাদ।
