নেট ধীর হলে সহজ কিছু সেটিংস বদলেই মিলতে পারে সমাধান
স্মার্টফোনে ইন্টারনেট ধীর হয়ে গেলে অনেকেই ধরে নেন সমস্যা অপারেটর বা ফোনের। কিন্তু কিছু সাধারণ সেটিংস পরিবর্তন করলেই অনেক সময় সংযোগ আগের তুলনায় স্থিতিশীল হয়ে যায়। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, ফোনে অল্প সময়ের জন্য এয়ারপ্লেন মোড চালু রেখে আবার বন্ধ করলে ডিভাইসটি নতুন করে নেটওয়ার্ক টাওয়ারের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের চেষ্টা করে। প্রায় ১৫ সেকেন্ড পর এটি বন্ধ করলে সিগন্যালের মান কিছু ক্ষেত্রে উন্নত হতে পারে। এ ছাড়া দীর্ঘ সময় একটানা ফোন চালু থাকলেও সাময়িক নেটওয়ার্ক সমস্যা তৈরি হতে পারে। তাই নিয়মিত ফোন রিস্টার্ট করা উপকারী বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এতে সফটওয়্যার ও নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত ছোটখাটো ত্রুটি দূর হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
৫জি চালু থাকলেও সব জায়গায় ভালো নাও চলতে পারে
বর্তমানে অনেক ফোনে ডিফল্ট ভাবে ৫জি মোড চালু থাকে। কিন্তু সব এলাকায় ৫জি সেবা পুরোপুরি কার্যকর না হওয়ায় ফোন বারবার সেই সিগন্যাল খুঁজতে গিয়ে ধীরগতির অভিজ্ঞতা তৈরি করতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে প্রয়োজন অনুযায়ী ৪জি মোড ব্যবহার করলে ইন্টারনেট আরও স্থিতিশীল থাকতে পারে। ফোনে এক বা দুই দাগ সিগন্যাল দেখা গেলে নেটওয়ার্ক সেটিংস রিসেট করাও কাজে আসতে পারে। তবে এই প্রক্রিয়ায় সংরক্ষিত ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড এবং কিছু ব্যক্তিগত সেটিংস মুছে যেতে পারে, তাই আগে বিষয়টি মাথায় রাখা প্রয়োজন।
পুরোনো সিম ও সফটওয়্যারও হতে পারে সমস্যার কারণ
অনেক সময় দীর্ঘদিন ব্যবহৃত সিম কার্ডের কারণেও ইন্টারনেটের গতি কমে যেতে পারে। পুরোনো সিম পরিষ্কার করে আবার ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে নতুন ৪জি বা ৫জি সিম ব্যবহার করলে ভালো নেটওয়ার্ক সাপোর্ট পাওয়া সম্ভব। আধুনিক সিম সাধারণত সিগন্যাল গ্রহণেও বেশি কার্যকর হয়। ফোনের সফটওয়্যার আপডেট না থাকলেও নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। কারণ নতুন আপডেটগুলোতে অনেক সময় বাগ ফিক্স যুক্ত করা হয়, যা সংযোগের স্থিতিশীলতা ও ইন্টারনেট স্পিড বাড়ানোতে সহায়তা করে।
নতুন ফোন কেনার আগে এই বিষয় গুলো চেষ্টা করে দেখা যেতে পারে
ইন্টারনেট ধীর হলেই নতুন ডিভাইস বা নতুন অপারেটরে চলে যাওয়ার প্রয়োজন সবসময় পড়ে না। অনেক ক্ষেত্রে ছোট কিছু পরিবর্তন ও সচেতন ব্যবহারের মাধ্যমেই দ্রুত সংযোগ পাওয়া সম্ভব। বিশেষ করে নেটওয়ার্ক সেটিংস, সিমের অবস্থা এবং সফটওয়্যার আপডেট ঠিক থাকলে দৈনন্দিন ইন্টারনেট ব্যবহারে পার্থক্য চোখে পড়তে পারে।





