Vivo iQOO Z11x : আসন্ন Vivo iQOO Z11x সম্প্রতি Geekbench ডেটাবেসে দেখা গেছে। সেখানে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ফোনটি সিঙ্গেল কোর টেস্টে ১,০৫৭ পয়েন্ট এবং মাল্টি-কোর টেস্টে ২,৭০৪ পয়েন্ট স্কোর করেছে। গ্রাফিক্স পারফরম্যান্স বোঝার জন্য করা OpenCL টেস্টে ডিভাইসটির স্কোর এসেছে ৩,০৫০, যা দৈনন্দিন ব্যবহার ও মাল্টিমিডিয়া কাজে ভালো সক্ষমতার ইঙ্গিত দেয়।
প্রসেসর ও সফটওয়্যারের নিশ্চিত তথ্য
বেঞ্চমার্ক লিস্টিং থেকেই নিশ্চিত হয়েছে যে Vivo iQOO Z11x ফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে MediaTek Dimensity 7400 প্রসেসর। এই চিপসেটে রয়েছে চারটি ২.৬০ গিগাহার্টজ ক্লক স্পিডের পারফরম্যান্স কোর এবং চারটি ২.০০ গিগাহার্টজ স্পিডের এফিশিয়েন্সি কোর, সঙ্গে Mali-G615 MC2 GPU। পরীক্ষিত ইউনিটে ৮ জিবি র্যাম রয়েছে এবং ফোনটি চলেছে Android 16 অপারেটিং সিস্টেমে, যা ইঙ্গিত দেয় ডিভাইসটি নতুন অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন নিয়েই বাজারে আসতে পারে।


ডিসপ্লে ও ব্যাটারি নিয়ে যা জানা যাচ্ছে
প্রাথমিক লিক অনুযায়ী, Vivo iQOO Z11x ফোনে প্রায় ৬.৮ ইঞ্চির FHD+ LCD ডিসপ্লে থাকতে পারে, যার রিফ্রেশ রেট ১২০ হার্টজ। ব্যাটারির দিক থেকেও ফোনটি বেশ শক্তিশালী হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে প্রায় ৭,০০০mAh ক্যাপাসিটির বড় ব্যাটারি থাকতে পারে, যা প্রায় ৪৫ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট করবে।
ক্যামেরা ও টেকসই ডিজাইনের ইঙ্গিত
ফটোগ্রাফির ক্ষেত্রে ফোনটিতে ৫০ মেগাপিক্সেলের একটি প্রাইমারি রিয়ার ক্যামেরা থাকার কথা শোনা যাচ্ছে। পাশাপাশি, ডিভাইসটির জন্য IP69 রেটিংয়ের কথাও আলোচনায় এসেছে, যা ধুলো ও পানির বিরুদ্ধে বাড়তি সুরক্ষা দিতে পারে। সব মিলিয়ে, বড় ব্যাটারি, হাই রিফ্রেশ রেটের ডিসপ্লে এবং Dimensity চিপসেটের সমন্বয়ে Vivo iQOO Z11x মিড-রেঞ্জ বাজারে বেশ শক্ত অবস্থান নিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। লঞ্চের সময়সূচি ও দামের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও সামনে আসেনি।






