Infinix Smart 20 4G : বাংলাদেশে অফিশিয়ালি আত্মপ্রকাশ করেছে Infinix Smart 20 4G। গ্লোবাল উন্মোচনের সঙ্গেই দেশের বাজারে ফোনটি পাওয়া যাচ্ছে। ৪GB র্যাম ও ৬৪GB স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৳১২,৯৯৯। বড় ডিসপ্লে, নতুন অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন এবং দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারির সমন্বয়ে এটি ২০২৬ সালের বাজেট সেগমেন্টে জায়গা করে নিতে চায়।
বড় ডিসপ্লে, 120Hz রিফ্রেশ রেট ও আকর্ষণীয় ডিজাইন
ফোনটিতে রয়েছে ৬.৭৮ ইঞ্চির IPS LCD প্যানেল, যার রেজোলিউশন ৭২০ × ১৫৭৬ পিক্সেল এবং অ্যাসপেক্ট রেশিও ১৯.৭:৯। সর্বোচ্চ ১২০Hz রিফ্রেশ রেট সাপোর্ট করে, পাশাপাশি ২৪০Hz টাচ স্যাম্পলিং রেট পাওয়া যায় হাই রিফ্রেশ সেটিংয়ে। ব্রাইটনেস সাধারণভাবে ৫৬০ নিটস এবং HBM মোডে ৭০০ নিটস পর্যন্ত পৌঁছায়।
ডিজাইনের দিক থেকে ফোনটির মাপ ১৬৭.৭ × ৭৮.৮ × ৭.৭ মিমি। বড় স্ক্রিন থাকা সত্ত্বেও এটি তুলনামূলকভাবে স্লিম। Shadow Black, Polaris Titanium, Sunlike Orange এবং Cloudline Blue এই চারটি রঙে বাজারে এসেছে। এছাড়া IP64 রেটিং থাকায় স্প্ল্যাশ, পানি ও ধুলা থেকে সুরক্ষা পাওয়া যাবে, যা এই দামের ফোনে সচরাচর দেখা যায় না। ডায়নামিক বার এবং Always-On Display ধরনের ফিচারও যুক্ত রয়েছে।

পারফরম্যান্স, সফটওয়্যার ও স্টোরেজ সুবিধা
Infinix Smart 20 4G এ ব্যবহার করা হয়েছে MediaTek Helio G81 Ultimate চিপসেট। এতে রয়েছে অক্টাকোর প্রসেসর, যেখানে ২টি Cortex-A75 কোর ২.০GHz এবং ৬টি Cortex-A55 কোর ১.৭GHz গতিতে কাজ করে। গ্রাফিক্সের জন্য রয়েছে Mali-G52 GPU। বাংলাদেশে ৪GB র্যাম ও ৬৪GB স্টোরেজ কনফিগারেশন নিশ্চিত করা হয়েছে। গ্লোবালি ৪GB + ১২৮GB সংস্করণও রয়েছে। মাইক্রোএসডি কার্ডের মাধ্যমে স্টোরেজ ২TB পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব। সফটওয়্যার হিসেবে রয়েছে XOS 16, যা Android 16 ভিত্তিক।
ক্যামেরা, কানেক্টিভিটি ও ব্যাটারি
ফোনটির পেছনে রয়েছে ৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা, অটোফোকাস ও ডুয়াল LED ফ্ল্যাশসহ। সামনে দেওয়া হয়েছে ৮ মেগাপিক্সেল সেলফি ক্যামেরা। উভয় ক্যামেরা দিয়েই সর্বোচ্চ ২কে ভিডিও ৩০fps এ রেকর্ড করা যায়, পাশাপাশি ১০৮০পি ও ৭২০পি অপশনও রয়েছে। AI Cam, Portrait, Super Night, Dual Video, Time-Lapse, Panorama, Documents এবং Pro মোড অন্তর্ভুক্ত।
কানেক্টিভিটির দিক থেকে ডুয়াল ন্যানো সিমের সঙ্গে আলাদা মাইক্রোএসডি স্লট রয়েছে। ৪জি LTE, ডুয়াল-ব্যান্ড ওয়াইফাই, ব্লুটুথ, USB Type-C, OTG, FM রেডিও, ৩.৫ মিমি হেডফোন জ্যাক, NFC এবং ইনফ্রারেড ব্লাস্টার সাপোর্ট করে। ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার, জিসেন্সর, ই-কম্পাস, প্রোক্সিমিটি সেন্সর, লাইট সেন্সর এবং সফটওয়্যার-ভিত্তিক জাইরোস্কোপও রয়েছে।
ব্যাটারি হিসেবে দেওয়া হয়েছে ৫২০০mAh ইউনিট। বক্সে ১০W চার্জার থাকলেও ডিভাইসটি ১৫W পর্যন্ত ওয়্যার্ড চার্জিং সাপোর্ট করে। এছাড়া ৫W রিভার্স ওয়্যার্ড চার্জিং সুবিধাও রয়েছে।
তথ্যসূত্র: mobiledokan.co






