acer asus germany sales ban : ইউরোপের সবচেয়ে বড় অর্থনীতি জার্মানিতে বড় ধাক্কা খেল ASUS ও Acer। মিউনিখ আঞ্চলিক আদালত ২২ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে দেওয়া এক রায়ে দুই নির্মাতাকে সরাসরি পিসি বিক্রি থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে। রায় ঘোষণার পরই তাদের জার্মান অনলাইন স্টোর থেকে সংশ্লিষ্ট পণ্যের তালিকা সরিয়ে নেওয়া বা স্থগিত করা হয়েছে। এখন তারা আইনি বিকল্প ও রায়ের পরিধি খতিয়ে দেখছে। আদালতের নির্দেশ মূলত কোম্পানিগুলোর নিজস্ব বিক্রয় ও ডিস্ট্রিবিউশন চ্যানেলের ওপর প্রযোজ্য, খুচরা বিক্রেতাদের বিদ্যমান স্টকের ওপর নয়। ফলে আপাতত বাজারে সরবরাহ থাকবে অন্য নির্মাতা এবং ASUS ও Acer-এর আগের মজুতের মাধ্যমে।এই পরিস্থিতি নিয়ে প্রযুক্তি মহলে “acer asus germany sales ban” বিষয়টি দ্রুত আলোচনায় উঠে এসেছে।
HEVC/H.265 পেটেন্ট নিয়ে নোকিয়ার দাবি
মামলার কেন্দ্রে রয়েছে HEVC/H.265 ভিডিও এনকোডিং ও ডিকোডিং প্রযুক্তি সংক্রান্ত পেটেন্ট। নোকিয়া এই প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত একাধিক পেটেন্ট দাবি করেছে। ASUS ও Acer তাদের পিসিতে যে জিপিইউ, প্রসেসর ও বিভিন্ন ডিজিটাল ভিডিও ইঞ্জিন ব্যবহার করে, সেগুলোর ক্ষেত্রে লাইসেন্স প্রয়োজন বলে আদালত বিবেচনা করেছে। বিক্রি চালু রাখতে হলে নোকিয়ার অনুমোদন আবশ্যক।
আরো পড়ুন: Tecno POVA Curve 2 ভারতে এল 8,000mAh ব্যাটারি নিয়ে, সঙ্গে 144Hz AMOLED স্ক্রিন
বিচারকরা মনে করেছেন, দুই প্রতিষ্ঠান FRAND নীতিমালার অধীনে স্বেচ্ছায় লাইসেন্সগ্রহীতা হিসেবে নিজেদের অবস্থান প্রমাণ করতে পারেনি। সেই কারণেই ক্ষতিপূরণের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে আদালত নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এই নিষেধাজ্ঞা কতদিন বহাল থাকবে, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট তথ্য নেই এবং বিষয়টি আদালত ও সংশ্লিষ্ট কোম্পানির পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করবে।
গবেষণা বিনিয়োগ ও বাজারে প্রভাব
নোকিয়া ২০০০ সাল থেকে গবেষণা ও উন্নয়নে ১৫০ বিলিয়ন ইউরোরও বেশি বিনিয়োগ করেছে। ভিডিও কোডিং ও ডিকোডিং প্রযুক্তি উন্নয়ন এবং মান নির্ধারণ সংক্রান্ত বিভিন্ন বোর্ডে প্রতিষ্ঠানটি সক্রিয়ভাবে যুক্ত। বিভিন্ন ডিভাইস ও প্রযুক্তির মধ্যে সামঞ্জস্য বজায় রাখার ক্ষেত্রেও তাদের ভূমিকা রয়েছে।
তবে যখন কোনো নির্মাতা লাইসেন্স চুক্তির শর্ত পূরণ করে না, তখন আইনি জটিলতা তৈরি হয়। আদালতের এখতিয়ার জার্মানির মধ্যে সীমাবদ্ধ হলেও এই রায় দুই কোম্পানির বিক্রয় পরিকল্পনায় বড় প্রভাব ফেলেছে। আন্তর্জাতিক আইন ও বিভিন্ন দেশের আদালত আলাদা হলেও, একটি দেশের আদালতের সিদ্ধান্ত কীভাবে বড় প্রযুক্তি ব্র্যান্ডের ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডে সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে, এই ঘটনাটি তার স্পষ্ট উদাহরণ।
তথ্যসূত্র: techpowerup



